বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়
বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়,পৃথীবির মধ্যে নরওয়ে একটি অনেক সুন্দর দেশ।এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক উন্নত,বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবছর অনেক পর্যটক নরওয়ে যায়।এদেশের আয়তন ৩৮৫২০৭বর্গ কিলোমিটার।এটি উত্তর ইউরোপের মধ্যে একটি অনেক সুন্দর দেশ।এদেশের চার পাশে আছে ফিনল্যান্ড,রাশিয়াি ,সুইডেন,ডেনমার্ক,আর যুক্তরাষ্ট রয়েছে।এদেশে যদি আপনি যেতে চান তাহলে এই পোষ্টটি পড়লে আপনি ধারনা পাবেন যে আপনি কিভাবে সহজে নরওয়ে যেতে পারবেন।
এত সুন্দর একটা দেশ সুযোগ পেলে কে না যায় নরওয়েতে চলুন তাহলে দেখা যাক যে কিভাবে
সহজ উপায়ে আপনি নরওয়ে যেতে পারেন।সব থেকে ভালাে হয়।যদি সরকারিভাবে যাওয়া যায়, তা হলে
ভালো আবার কেউ চেনা পরিচিত থাকলে নিজের অত্মীয় সজ্বন থাকলে টেনশন বিহীন যাওয়া
যায়।
পেজ সূচিপত্রঃবাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়
-
বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়
-
স্টুডেন্ট ভিসা কিভাবে যাবেন
-
ওয়ার্কপারমিট ভিসা
-
ট্যুরিষ্ট ভিসায় কিভাবে যাবেন
-
কন্সট্রাকশন কাজের জন্য বেতন
-
ইলেক্ট্রেশিয়ান,পেইন্টার কাজের জন্য বেতন
-
নরওয়ে হোটেলের লিষ্ট নিম্নে দেয়া হলো
-
ট্যুরিষ্টদের জন্য দেখার স্থানসমূহ
-
পরিবার বা বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
-
শেষ কথাঃবাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়
বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়
বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়,বাংলাদেশের অধিকাংশ যুবক বা স্টুডেন্টদের মধ্যে বিদেশ যাওয়ার প্রবনতা বেশি দেখা
যায়।এই পোষ্টটি পড়ে জানতে পারবেন আপনি কিভাবে নরওয়ে যাবেন,কত টাকা লাগবে,কাজের
ভিসায় বা পড়াশুনার ভিসায় কিভাবে গেলে সহজ হবে তা আপনারা এখানে জানতে পারবেন।তবে
বাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্কপারমিট ভিসা সহজে পাওয়া যায় না।ভিসা কয়েক ধরনের হয়
যথা,স্টুডেন্ট ভিসা,ওয়ার্ক পারমিট ভিসা,টুরিষ্ট ভিসা,পড়াশুনার জন্য গেলে যদি
স্কলারসিপ পাওয়া যায় তা হলে ভালাে আবার টুরিষ্ট ভিসা কয়েক মাসের জন্য যাওয়া
যায়।এবং ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নির্দিষ্ট কয়েক বছরের জন্য যেতে হয়।
আরো পড়ুরঃ কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
স্টুডেন্ট ভিসা কিভাবে যাবেন
স্টুডেন্ট ভিসায় নরওয়েতে যেতে হলে ন্যূনতম যোগ্যতা লাগে এই ভিসায় যেতে হলে
একাডেমিক পরিক্ষায় কমপক্ষে ৭% নম্বর থাকতে হবে।আবার কেউ যদি ব্যাচেলর ডিগ্রি করতে
চাই তাহলে তাকে এইচ.এস.সি এবং ১ বছর এর যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করতে
হবে।আবার কেউ যদি মাস্টার্র করতে চাই তাহলে তাকে বাংলাদেশে ৩ বছরের ব্যাচেলর
ডিগ্রি করতে হবে।নরওয়েতে রয়েছে ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর অধিনে আছে ১৫০টির
বেশি কলেজ যা থেকে স্টুডেন্টরা উন্নত শিক্ষা লাভ করতে পারে।
আনেক স্টুডেন্ট সেখানে পড়াশুনার পাশাপাশি পার্টটাইম জব করে থাকে তা নিজ্বস
খরচ চালানোর জন্য।যদি কেউ মাস্টার্স ডিগ্রি করতে চাই তাহলে তাকে ৬.৫ স্কোর মার্ক
তুলতে হবে। এবং যে বিশ্ববিদ্যালয়তে সে পড়ে সেখান থেকে তাকে আবেদন করতে হবে।এবং আই
এল টি এস করে তাকে ৬.০০ স্কোর মার্ক তুলতে হবে তবে স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়া
যাবে।
ওয়ার্কপারমিট ভিসা
ওয়ার্কপারমিট ভিসাতে অনেক মানুষ নরওয়েতে যায়।যেকোন হাতের কাজ জানা থাকলে বিশ্বের
যে দেশে আপনি যান না কেন যদি সঠিক ভাবে যাওয়া যায়, তাহলে হাতের কাজ করে একটু আরামে
থাকা যায়।নরওয়ে ওয়ার্কপারমিট ভিসা মাঝে মধ্যে দিয়ে থাকে আবার বন্ধ
থাকে।ওয়ার্কপারমিট ভিসায় আপনাকে যেতে হলে যা যা লাগবে
- কাজের দক্ষতার সার্টিফিকেট
- ব্যাংক এস্টেটমেন্ট
- মেডিকেল রিপোর্ট
- জাতীয় পরিচয়পত্র
- পাসপোর্ট এর কপি
- পূর্বে ট্রাভেলের প্রমানপত্র যদি থাকে
- কাজের অভিজ্ঞতা লাগবে।
এই সমস্ত কাগজপত্র থাকলে কোন এজেন্সির মাধ্যমে অথবা বি এম টি এ ভবনে গিয়ে নরওয়ে
ওয়ার্কপারমিট ভিসা আবেদন করতে পারেন।
ট্যুরিষ্ট ভিসায় কিভাবে যাবেন
নরওয়ে একটা সুন্দর দেশ এদেশে প্রতি বছর অনেক টুরিষ্ট ভ্রমনের জন্য যেয়ে
থাকে।টুরিষ্ট ভিসা ৩০দিন থেকে সবোচ্চ ৯০দিন পর্যন্ত নিয়ে ভ্রমন করা যায়।এখানে
তারা যেতে পারে যাদের টাকা আছে, ফ্রি সময় আছে।টুরিষ্ট ভিসার জন্য যে সমস্ত
ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র লাগে তা নিম্নে দেওয়া হলো
- ভিসা আবেদনকারীর পাসপোর্ট এবং এর মেয়াদ ৬ মাসের বেশি থাকতে হবে।
- ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি যা সম্প্রতি তোলা হতে হবে।
- পাসপোর্টের ফটোকপি
- হোটেল বুকিং এর তথ্য লাগবে
- টুরিষ্ট কোথায় কোথায় ভ্রমন করবেন তার তথ্য লাগবে।
- পুলিশ ভেরিফিকেসন লাগবে
নরওয়ে ভ্রমনের জন্য কমপক্ষে চার বা ছয় সপ্তাহ,ভ্রমনের আগে ভিসা আবেদন জমা দিতে
হয়।এই ভিসা জমা দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে নরওয়ে ভিসা ইস্যু হয়ে যায়। যদি কোন সমস্য
না থাকে কোন কাগজপত্রে। তাহলে আপনি যেতে পারবেন।
আরো পড়ুরঃ
সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা
নরওয়েতে কোন কাজের কেমন বেতন এখন তা আমরা জানবো
নরত্তয়ে আসলে বেশিরভাগ মানুষ যায় কাজের জন্য, তবে আগে আমাদের জানা দরকার যে, কোন
কাজের জন্য বেতন কেমন,নরওয়ে একটা সুন্দর দেশ এদেশে কাজের বেতন কাঠামো বেশি এবং
কাজের পরিবেশ ভালো।এখানে কিছু উল্লেখযোগ্য কাজের বেতন কাঠামো দেওয়া হলো।
কন্সট্রাকশন কাজের জন্য বেতন
অনেক দেশ থেকে কর্মী নরওয়েতে গিয়ে কাজ করে থাকে।এই কন্সট্রাকশন কাজের উপর
যদি দক্ষতা থাকে তাহলে প্রতি ঘন্টা ১৯৭.৯০ ক্রোনার দেওয়া হয়। আবার যদি আপনার
সহযোগি থাকে থাহলে তাকে ১৭৭.৮০ ক্রোনার ঘন্টা প্রতি দেওয়া হয়।কন্সট্রাকশন
কাজে খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে কারন অনেকে কাজ করতে গিয়ে পড়ে যায় এবং বড়
দূর্ঘটনা সৃষ্টি হয়। এই জন্য যে যে কাজে দক্ষ থাকে তাকে সেই কাজ করতে হয়।
ইলেক্ট্রেশিয়ান,পেইন্টার কাজের জন্য বেতন
কেউ যদি পেইন্টার কাজের উপর অভিজ্ঞ থাকে তাহলে সে নরওয়েতে গিয়ে কাজ করতে
পারবে।নিজে যদি কাজ ধরে করা যায় তাহলে ঘন্টা প্রতি ২১১.৭০ ক্রোনার পাওয়া যায়।
আবার যদি কারো সহযোগি হিসেবে কাজ করা যায় তাহলে ১৮৫ ক্রোনার ঘন্টা প্রতি পাওয়া
যায়। আসলে হাতের যে কোন কাজ জানা থাকলে বিশ্বের যে কোন দেশে গিয়ে কাজ করা যায় যদি
সমস্ত কাগজপত্রাদি ঠিকঠাক থাকে।তবে কাজের কোয়ালিটি ভালো হলে কাজ বেশি পাওয়া যায়।
এই জন্য শুধু বিদেশ গেলে হবে না কাজের ভালো অভিজ্ঞতা লাগে।
নরওয়ে হোটেলের লিষ্ট নিম্নে দেয়া হলো
আপনি নরওয়েতে গেলে প্রথমত যদি হোটেলে থাকা লাগে তাহলে আপনি হোটেলে থাকতে
পারেন। দু এক দিন এই জন্য হোটেল কোথায় পাবেন এবং কোন হোটেলে উঠলে ভালো হবে এই
জন্য কিছু হোটেল লিষ্ট দেওয়া হলো
- অ্যাঙ্ককার এপার্টমেন্ট অসলো
- হোটেল স্কান্ডীক ফরনেবু অসলো
- মক্সি হোটেল
- অ্যাঙ্করকার হোটেল অসলো
- ম্যাজিক বলু বারগেন
- স্কান্ডীক নেপচুন, বারগেন
- থোন বারগেন ব্রাইজ্ঞে, বারগেন
- ওয়েস্টার্ন হোটেল বারগেন
ভ্রমনপিয়াসুদের জন্য নরওয়ে যাওয়ার সময়
ভ্রমনপিয়াসুদের জন্য নরওয়ে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় দেশ নয়নাভিরাম চোখ জুড়ানো
দেশ।নরওয়ে একটি শীত প্রধান দেশ এই দেশে গেলে শীতের পোশাক নিয়ে যেতে হবে।সাধারনত
মার্চ থেকে জুলাই মাস এই সময় নরওয়ে ভ্রমনের জন্য আদর্শ সময়। এই সময় নরওয়েতে
বসন্তকাল বিরাজ করে এসময় গাছে নতুন কচি পাতা এবং ফুল থাকে অপরুপ এক প্রাকৃতিক
সৌন্দর্য বিরাজ করে।
পরিষ্কার নীল আকাশ আর নভেম্বর মাসে শীত পড়ে তখন গেলে বেশির ভাগ সময় আকাশ মেঘলা
হয়ে থাকে। বিশেষ করে শীতের সময় নরওয়ে ভ্রমন না করা ভালো কারন এমনিতে শীতপ্রধান দেশ
তারপর আবার শীতকাল।
ঢাকা বাংলাদেশ থেকে বিমান ভাড়া
ঢাকা থেকে নরওয়ে দূরুত্ত প্রায় ৭৩০০ কিলোমিটার।বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে ভাড়া ৬০০০০ বা
৬১০০০ হাজার টাকা।নরওয়ের বিমানগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ এয়ারওয়েজ,কে এল এম রয়্যাল
ডাচ,ইতিহাদ,এমিরেটরস,এই বিমানগুলো বাংলাদেশ নরওয়ে যাতায়াত করে থাকে।তবে মাঝে মাঝে
বিমান ভাড়া পরিবর্তন হয়ে থাকে।
ট্যুরিষ্টদের জন্য দেখার স্থানসমূহ
নরওয়ে একটা অত্যন্ত সুন্দর একটা দেশ, এখানে সমূদ্র সৈকত,পাহাড়,উপত্যকা,দীপপুন্জ
আরো অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে।এখানে রয়েছে পশ্চিমের সামুদ্রিক খাড়ি,এখানে খাড়ি
অনেক বেশি স্টাভাঙ্গার থেকে মল্ডে পর্যন্ত। পশ্চিম সামূদ্রিকখাড়ি গুলো অনেক
নয়নাভিরাম।এখানে পাহাড় পর্বতগুলো অনেক উচু উচু হয়।এবং এখানকার খাড়িগুলো অনেক
গভীর।পাহাড়ের চূড়াই দাড়ালে অনেক সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়।
বারগেন,বারগেন হচ্ছে নরওয়ের এক দিতীয় বৃহত্তম শহর। দেশের অন্যতম সমুদ্রবন্দর
হচ্ছে বারগেন।১৫শত শতক থেকে শুরু করে এটি দেশের অন্যতম বানিজ্যিক কেন্দ্র এটি।
এখানে অসাধারন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিরাজ করে।আর পর্যটন কেন্দ্র আছে এখানে। আরো
আছে পুরাতুন আমলের ভবন।
লোফোতেন দ্বীপপুন্জ,প্রাকৃতিক দ্বীপপুন্জ আর সৈকত এর জন্য বিখ্যাত।নরওয়ের
উত্তরাঞ্চলের দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এই দ্বীপাঞ্চল।এগুলো পর্যটকদের জন্য অনেক
প্রিয় জায়গা।এই দ্বীপ অঞ্চল গুলোর পানি অনেক স্বচ্ছ এবং আবহাওয়া উষ্ন।এখানে
গির্জা আছে স্টাভাঙ্গার গির্জা এদেশের বিখ্যাত। এই গির্জাগুলো অনেক সুন্দর
শিল্পকর্ম দ্বারা তৈরি এবং আয়তনে অনেক।
আরো পড়ুনঃ কক্সবাজার যাওয়ার উপযুক্ত সময়
পরিবার বা বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- যার সাথে দেখা করতে যাবেন তার একটি গ্যারান্টর ফরম লাগবে।
- ম্যারেজ সার্টিফিকেট,বার্থসার্টিফিকেট, যদি সন্তান থাকে তাদের প্রয়োজনীয় কাহজ পত্র।
- তিন মাস আগের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব বিবরনী।
- ভ্রমনকারী যার সাথে দেখা করতে যাচ্ছে তার প্রমান পত্র।
- ফ্লাইট রিজার্ভেশন কপি।
অনেকে আছেন যাদের বন্ধুবান্ধব বা অত্বীয়স্বজন নরওয়েতে থাকে তাদের সাথে দেখা করতে
যায়। তখন তাদের এই সমস্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হয়।বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পূন্য ভালাে ভাবে যাচাই বাচাই করে যাওয়া ভালো তাহলে কোন ভগান্তি পোহাতে হয় না। এই জন্য ভালো এজেন্সির মাধ্যমে যেতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যেতে কত টাকা লাগে
বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যেতে কত কমপক্ষে ৯ থেকে ১০ লক্ষ টাকা লাগে।এই দেশে
যাওয়া অনেক কঠিন যদি এজেন্সি ভালো হয তবে একটু কম টাকা লাগে।এখানে সঠিক
ভাবে গেলে এবং কাজ পেলে বা স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে অনেক বেশি টাকা ইনকাম
করা যায়।
শেষ কথাঃবাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়
বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে যাওয়ার সহজ উপায়,বাংলাদেশ থেকে নরওয়ে
যাওয়ার জন্য উক্ত আলোচনায় আপনি অনেক কিছু জানতে পারলেন যা আপনাকে নরওয়ে
যেতে সহযোগিতা করবে যে আপনি কি কি উপায়ে নরওয়ে যেতে পারবেন।বিভিন্ন দেশ
ভ্রমন করা এবং আল্লাহর নেয়ামত দেখা এটাও একটা ইবাদত বিভিন্ন দেশ ভ্রমন
করা এবং আল্লাহর শুকরিয়া করা এক ইবাদত এর মধ্যে পর।পোষ্টটি ভালো লাগলে
আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য
ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন।
ইন্সাআল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন।
.jpg)
.jpg)
.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url